বৃহস্পতিবার, ০২ Jul ২০২৬, ০১:৫১ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
বরিশাল জেলা আবাসিক হোটেল মালিক সমিতির ২৫ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন বাকেরগঞ্জে বিএনপি নেতা ফরিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচার বরিশালে পুলিশের অভিযানে সাবেক শ্রমিকলীগ নেতা প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ বরিশালে পুলিশের অভিযানে ছাত্রলীগ নেতা উত্তম বাবু আটক বরিশালে জমি দখল করে ছাত্রদল নামধারী সন্ত্রাসী রাহাতের ওয়াল নির্মাণ বরিশালে পুলিশের অভিযানে নারীসহ ৫ মাদক কারবারি আটক বরিশালে পুলিশের অভিযানে ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আটক গৌরনদীতে শামীম ওসমানের পিএস মান্নার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ বরিশালে নিষিদ্ধ সংগঠনের মিছিলে অংশগ্রহণের অভিযোগে ছাত্রলীগ কর্মী গ্রেপ্তার
বাকেরগঞ্জে বিএনপি নেতা ফরিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

বাকেরগঞ্জে বিএনপি নেতা ফরিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

নিজস্ব প্রতিবেদক::বাকেরগঞ্জ উপজেলার ২নং চরাদী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এইচ.এম.ফরিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার ও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র চালিয়ে আসছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, রাজনৈতিকভাবে তাকে দুর্বল করা, সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা এবং তার ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতেই বিভিন্ন সময়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অভিযোগ প্রচার করা হচ্ছে।

সূত্র জানায়, এইচ.এম.ফরিদুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত একজন সক্রিয় ও ত্যাগী নেতা। গত প্রায় ১৭ বছর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি একাধিক হামলা, মামলা ও নানা ধরনের হয়রানির শিকার হয়েছেন বলে দাবি করা হয়। শুধু তিনি নন, তার পরিবারের সদস্যদেরও বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি, চাপ ও নির্যাতনের মুখোমুখি হতে হয়েছে। এসব প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি দলীয় কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের পাশে থেকেছেন বলে সমর্থকরা জানান।

এলাকার মানুষের দাবি, সুখ-দুঃখ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অসুস্থতা কিংবা আর্থিক সংকটে এইচ. এম. ফরিদুল ইসলাম সবসময় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। ব্যক্তিগত উদ্যোগে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো, সামাজিক বিরোধ নিষ্পত্তিতে ভূমিকা রাখা এবং বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কারণে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।

এছাড়াও সমর্থকদের অভিযোগ, তার এই জনপ্রিয়তা ও রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি মহল ধারাবাহিকভাবে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। তাদের দাবি, সম্প্রতি দুই ব্যক্তিকে মারধরের অভিযোগে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, একপাক্ষিক ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশ করা হয়েছে।

একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, সম্প্রতি চরাদী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের বিলামঘাট এলাকার বাসিন্দা জয়নদ্দিন হাওলাদারের ছেলে হারুন হাওলাদার এবং একই ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের মসজিদখোলা এলাকার বাসিন্দা ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. লালনের নাম ওই সংবাদে মারধরের ঘটনার ভুক্তভোগী হিসেবে উল্লেখ করা হয়। তবে তাদের দাবি, তারা এ বিষয়ে কোনো সাংবাদিক বা গণমাধ্যমের কাছে কোনো ধরনের বক্তব্য দেননি। তাদের ভাষ্য, রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে কোনো তৃতীয় পক্ষ সাংবাদিকদের কাছে ভুল তথ্য সরবরাহ করে থাকতে পারে, যার ভিত্তিতে সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে।

এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন সময়ে এইচ. এম. ফরিদুল ইসলামের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধেও নানা ধরনের ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার চালানো হয়েছে। বিশেষ করে তার ছেলে মো. ফাহিম ইশতিয়াক সাজ্জাদ এবং ভাতিজা পলাশ ও শাহিনকে নিয়েও বিভিন্ন সময়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার ও হয়রানিমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগ করেছেন তাদের সমর্থকরা। তাদের দাবি, পরিবারটিকে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতেই এসব কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছে।

এ বিষয়ে এইচ. এম. ফরিদুল ইসলাম বলেন, “আমার বিরুদ্ধে সম্প্রতি দুই ব্যক্তিকে মারধরের যে অভিযোগ প্রচার করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। একটি স্বার্থান্বেষী মহল দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিকভাবে আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করতে এবং আমার সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। গত প্রায় ১৭ বছর রাজনৈতিক কারণে আমি ও আমার পরিবার হামলা, মামলা এবং নানা ধরনের হয়রানির শিকার হয়েছি। তারপরও আমি কখনো জনগণের পাশ থেকে সরে দাঁড়াইনি। আমি সবসময় চরাদী ইউনিয়নের মানুষের সুখ-দুঃখ ও বিপদ-আপদে পাশে থেকেছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব।

সংবাদটি শেয়ার করুন ...




© All rights reserved DailyAjkerSundarban