মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:১৭ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
আমানতগঞ্জে পুকুর ভরাট বন্ধের নির্দেশ পরিবেশ অধিদপ্তরের আলহাজ্ব নুরুল আমিন-আব্বাস কমিটি সাংগঠনিক গতিশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপিতে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি বিভাগে তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হচ্ছে : তথ্য মন্ত্রী বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির ১০ তলা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন আইনমন্ত্রী চরকাউয়ায় কবির মুন্সীকে নিয়ে অপপ্রচার কীর্তনখোলা নদীতে রাতের আঁধারে চোরাই তেলের সিন্ডিকেট চর্ম ও যৌন চিকিৎসায় সফলতায় বরিশালে রোগীদের মন জয় করেছেন ডাঃ রেজওয়ান কায়সার বরিশালে সিকদার ফার্নিচার এন্ড মার্বেল গ্যালারির বিরুদ্ধে নিম্নমানের পণ্য বিক্রির অভিযোগ লাকুটিয়া খাল খনন সম্ভব না হওয়ায় সরকারি বরাদ্দের অর্থ ফেরত বাবুগঞ্জে জমি-সংক্রান্ত বিরোধে হামলা: নারীসহ একই পরিবারের ৪ জন গুরুতর আহত
বরিশালে ওয়ারেন্ট ভুক্ত ছাত্রলীগ নেতাকে নিয়ে আসামী ধরতে গিয়ে বিপাকে পুলিশ

বরিশালে ওয়ারেন্ট ভুক্ত ছাত্রলীগ নেতাকে নিয়ে আসামী ধরতে গিয়ে বিপাকে পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক::স্বৈরাচারী সরকার পালিয়ে গেলেও কৌশলে পুলিশ তাদের ছত্রছায়ায় রেখেছে এমন কথা এতদিন মানুষ মুখে মুখে শোনা গেলেও গতকাল তার প্রমাণ মিলেছে বরিশাল নগরীতে।

 

বিষয়টি আলোচনায় আসলে একেকজন পুলিশ একেক ধরনের বক্তব্য দিচ্ছে। মিথ্যাকে সত্য বানানোর চেষ্টায় পুলিশ নানামুখী বক্তব্য দিচ্ছেন।

 

ঘটনা সূত্রে জানা যায়, বরিশাল নগরীর রুপাতলিতে কামাল নামের এক আসামিকে ধরতে যায় কোতোয়ালি মডেল থানার সাব-ইন্সপেক্টর মাজেদসহ একটি টিম। ঐ টিমে খালেদ খান রবিনকে পুলিশ সোর্স পরিচয় দিতে দেখা গেছে। রবিন চরকাউয়া এলাকার সাদেকুর রহমান খলিল খানের ছেলে ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও রয়েছে। গত বছরের ৪ আগস্ট বরিশাল নগরীর বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ করেন এই রবিন। এরকম একজন ছাত্রলীগের নেতাকে পুলিশের সোর্স পরিচয়ে নিরাপদে সড়িয়ে নিয়ে পালিয়ে যেতে সাহায্য করায় পুলিশের প্রতি ক্ষোভ জেড়েছেন এলাকাবাসী।

 

রুপাতলির বাসিন্দা মনির খলিফা বলেন, ১১ এপ্রিল রাতে রুপাতলী হাউসিং এলাকার সিকদার প্যালেসে কামালকে গ্রেফতার করতে আসে পুলিশ। তখন পুলিশের সাথে থাকা ছাত্রলীগ নেতা খালেদ খান রবিনকে দেখে তার বিষয়ে জানতে চায় কামালের স্ত্রী অনামিকা জেসমিন। সেসময় রবিন ঘটনাস্থলে মোটরসাইকেল রেখে পালিয়ে যায়। উপস্থিত লোকজন পুলিশের কাছে রবিনের বিষয়ে জানতে চাইলে তারা তাদের সোর্স বলে পরিচয় দেয়। রবিন পালিয়ে যাওয়ার পর তার মোটরসাইকেলটি চালিয়ে নিয়ে যায় কোতোয়ালি মডেল থানার সাব-ইন্সপেক্টর পিনাকি। পিনাকি বলেন, মোটরসাইকেল আমি মাজেদ স্যারের কথায় নিয়ে আসছি। পরে মাজেদ স্যার আবার মোটরসাইকেলটি নিয়ে যায়।

 

এদিকে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, রবিন নামে কাউকে আমি চিনিনা। তবে ছাত্রলীগ নেতা রবিন সাব-ইন্সপেক্টর মাজেদের সোর্স বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

 

এঘটনা জানতে সাব-ইন্সপেক্টর মাজেদকে একাধিকবার কল দিলেও রিসিভ করেননি তিনি। পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচারী সরকারের অন্যতম হাতিয়ার ছাত্রলীগ কিভাবে পুলিশের সোর্স হয় সে-নিয়ে চলছে আলোচনা সমালোচনা।

 

ঘটনার সময় উপস্থিত সাধারণ মানুষ বলেন, ছাত্রলীগ নেতাকে সোর্স বানিয়ে এসআই মাজেদের মত পুলিশরা এখনও এদেশে আওয়ামী লীগকে পূর্ণবাসন করতে সাহায্য করছে।এদের মতো পুলিশদের খুঁজে খুঁজে বের করে চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনা উচিত বলে মনে করেন তারা।

 

এবিষয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটনের পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, রবিনের নামে যদি মামলা থেকে থাকে তাকে অবশ্যই গ্রেফতার করা হবে। এছাড়া তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

সংবাদটি শেয়ার করুন ...




© All rights reserved DailyAjkerSundarban