মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫৮ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
আমানতগঞ্জে পুকুর ভরাট বন্ধের নির্দেশ পরিবেশ অধিদপ্তরের আলহাজ্ব নুরুল আমিন-আব্বাস কমিটি সাংগঠনিক গতিশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপিতে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি বিভাগে তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হচ্ছে : তথ্য মন্ত্রী বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির ১০ তলা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন আইনমন্ত্রী চরকাউয়ায় কবির মুন্সীকে নিয়ে অপপ্রচার কীর্তনখোলা নদীতে রাতের আঁধারে চোরাই তেলের সিন্ডিকেট চর্ম ও যৌন চিকিৎসায় সফলতায় বরিশালে রোগীদের মন জয় করেছেন ডাঃ রেজওয়ান কায়সার বরিশালে সিকদার ফার্নিচার এন্ড মার্বেল গ্যালারির বিরুদ্ধে নিম্নমানের পণ্য বিক্রির অভিযোগ লাকুটিয়া খাল খনন সম্ভব না হওয়ায় সরকারি বরাদ্দের অর্থ ফেরত বাবুগঞ্জে জমি-সংক্রান্ত বিরোধে হামলা: নারীসহ একই পরিবারের ৪ জন গুরুতর আহত
গৌরনদীতে গ্রামীণ জনপদে উন্নয়নের ছোয়া: কাঁচা রাস্তা পাকা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উন্নত

গৌরনদীতে গ্রামীণ জনপদে উন্নয়নের ছোয়া: কাঁচা রাস্তা পাকা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উন্নত

নিজস্ব প্রতিবেদক:: বরিশালের গৌরনদী উপজেলার গ্রামীণ জনপদে দীর্ঘদিনের কাঙ্খিত উন্নয়ন কার্যক্রম অবশেষে শুরু হয়েছে। গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ কর্মসূচীর আওতায় অসংখ্য কাঁচা রাস্তা ইটের সলিংকরণ, মাটির রাস্তা সংস্কার এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা হয়েছে। এর ফলে গ্রামীণ এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে।

 

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কাবিখা, কাবিটা ও টিআর প্রকল্পের মাধ্যমে দুই কিস্তিতে মোট আড়াই কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই অর্থের মাধ্যমে ৩১৪টি প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রকল্পই মাটির রাস্তায় সলিংকরণ।

 

 

উপজেলার মাহিলাড়া ইউনিয়নের হাপানিয়া গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল কাদের সরদার বলেন, “ছোটবেলা থেকেই কাঁদা-মাটির রাস্তায় চলাচল করতাম। সম্প্রতি ইউএনও ও পিআইও’র সহায়তায় রাস্তা ইটের সলিং করা হয়েছে, আমরা গ্রামবাসী তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।”

 

খাঞ্জাপুর, বার্থী ও সরিকল ইউনিয়নের বাসিন্দারা জানান, বর্ষার সময় কিছু রাস্তা হাঁটুসমান পানিতে তলিয়ে থাকতো। ছাত্রছাত্রীরা চলাচল করতে পারত না। তবে সম্প্রতি এসব রাস্তা সংস্কার ও সলিং করা হয়েছে, যা গ্রামবাসীর দৈনন্দিন জীবনে সহজতর করেছে।

 

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. সালাউদ্দিন জানান, প্রকল্প শুরুর আগে প্রতিটি সভাপতিকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়। প্রকল্পের গুণগত মান বজায় রাখতে প্রতিটি প্রকল্প সরেজমিন পরিদর্শন করা হচ্ছে। তবে যাদের সুবিধা দেওয়া হয়নি তারা বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়াচ্ছে।

 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক রিফাত আরা মৌরি বলেন, “অনেক প্রকল্প আমি নিজেই পরিদর্শন করেছি। প্রতিটি প্রকল্প মানসম্পন্ন হয়েছে এবং গ্রামের মানুষ সুফল পাচ্ছে।”

 

এভাবে গৌরনদী উপজেলার গ্রামীণ জনপদে উন্নয়নের ছোয়া লেগেছে এবং ভবিষ্যতে আরও প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে স্থানীয় মানুষের জীবনমান আরও উন্নত হবে।

 

 

সংবাদটি শেয়ার করুন ...




© All rights reserved DailyAjkerSundarban