বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৪৬ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
আমানতগঞ্জে পুকুর ভরাট বন্ধের নির্দেশ পরিবেশ অধিদপ্তরের আলহাজ্ব নুরুল আমিন-আব্বাস কমিটি সাংগঠনিক গতিশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপিতে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি বিভাগে তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হচ্ছে : তথ্য মন্ত্রী বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির ১০ তলা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন আইনমন্ত্রী চরকাউয়ায় কবির মুন্সীকে নিয়ে অপপ্রচার কীর্তনখোলা নদীতে রাতের আঁধারে চোরাই তেলের সিন্ডিকেট চর্ম ও যৌন চিকিৎসায় সফলতায় বরিশালে রোগীদের মন জয় করেছেন ডাঃ রেজওয়ান কায়সার বরিশালে সিকদার ফার্নিচার এন্ড মার্বেল গ্যালারির বিরুদ্ধে নিম্নমানের পণ্য বিক্রির অভিযোগ লাকুটিয়া খাল খনন সম্ভব না হওয়ায় সরকারি বরাদ্দের অর্থ ফেরত বাবুগঞ্জে জমি-সংক্রান্ত বিরোধে হামলা: নারীসহ একই পরিবারের ৪ জন গুরুতর আহত
পিরোজপুরে মহাসড়কের দুপাশের ২ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

পিরোজপুরে মহাসড়কের দুপাশের ২ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

পিরোজপুর প্রতিনিধি ::: পিরোজপুরে বরিশাল-খুলনা মহাসড়কের দুপাশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চালাচ্ছে সড়ক বিভাগ। বুধবার (৩০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে মহাসড়কের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড থেকে বলেশ্বর ব্রিজ ও এর আশপাশের এলাকায় চালানো হয় এ উচ্ছেদ অভিযান। এ সময় স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেয়া হয় বুলডোজার দিয়ে।

জানা যায়, অভিযানে সড়ক ও জনপথ বিভাগের জায়গায় গড়ে ওঠা পাকা-আধাপাকা ও কাঠের তৈরি দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে সওজ কর্তৃপক্ষ। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে পিরোজপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ)।

পিরোজপুর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তানভীর আহমেদ জানান, সকাল থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু হয়; একটানা চলে বিকেল পর্যন্ত। মহাসড়কের দু’পাশে দখলমুক্ত করে প্রশস্ত করার আহ্বান সাধারণ মানুষের।

তিনি আরও জানান, জেলার সড়ক বিভাগের অধীনে খুলনা-বরিশাল মহাসড়কের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড থেকে বলেশ্বর ব্রিজ ও এর আশপাশে এলাকায় সড়কের দু’পাশ এ উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।

অভিযানের নেতৃত্ব দেন যুগ্মসচিব আব্দুল লতিফ খান, সড়ক ও জনপদ বিভাগ। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন: পিরোজপুর সদর উপজেলার ভূমি কর্মকর্তা মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফাসহ সড়ক ও জনপদ বিভাগের কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস।

সংবাদটি শেয়ার করুন ...




© All rights reserved DailyAjkerSundarban