মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:১৯ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
আমানতগঞ্জে পুকুর ভরাট বন্ধের নির্দেশ পরিবেশ অধিদপ্তরের আলহাজ্ব নুরুল আমিন-আব্বাস কমিটি সাংগঠনিক গতিশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপিতে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি বিভাগে তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হচ্ছে : তথ্য মন্ত্রী বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির ১০ তলা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন আইনমন্ত্রী চরকাউয়ায় কবির মুন্সীকে নিয়ে অপপ্রচার কীর্তনখোলা নদীতে রাতের আঁধারে চোরাই তেলের সিন্ডিকেট চর্ম ও যৌন চিকিৎসায় সফলতায় বরিশালে রোগীদের মন জয় করেছেন ডাঃ রেজওয়ান কায়সার বরিশালে সিকদার ফার্নিচার এন্ড মার্বেল গ্যালারির বিরুদ্ধে নিম্নমানের পণ্য বিক্রির অভিযোগ লাকুটিয়া খাল খনন সম্ভব না হওয়ায় সরকারি বরাদ্দের অর্থ ফেরত বাবুগঞ্জে জমি-সংক্রান্ত বিরোধে হামলা: নারীসহ একই পরিবারের ৪ জন গুরুতর আহত
ছাত্র-জনতার ওপর হামলাকারী সোহেল অধরা

ছাত্র-জনতার ওপর হামলাকারী সোহেল অধরা

নিজস্ব প্রতিবেদক:: বরিশাল মহানগরীর ১০নং ওয়ার্ড শ্রমিক লীগের অঘোষিত সাধারণ সম্পাদক সোহেল খান ছাত্র-জনতার ওপর সশস্ত্র হামলার অভিযোগ মাথায় নিয়ে এখনো প্রকাশ্যেই ঘুরে বেড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

এদিকে অভিযোগের পর নিজেকে নির্দোষ প্রমাণে তৎপর হয়ে উঠেছেন সোহেল খান। বরিশালের স্থানীয় একটি পত্রিকায় নিজের পক্ষে একটি প্রতিবাদলিপি প্রকাশ করেছেন তিনি, যেখানে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো অস্বীকার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

জুলাই ও আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার ঘটনায় তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে একাধিক ভিডিও ও স্থিরচিত্র সংরক্ষিত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র, যা ‘তালাশ বিডি’র কাছেও রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সোহেল খান নগরীর চাঁদমারি এলাকার কেডিসির ‘আমান সার গোডাউন’ নিয়ন্ত্রণে রেখে ট্রাকভিত্তিক চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারের মাধ্যমে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেন। বরিশাল মহানগর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক রইজ আহমেদ মান্নার ঘনিষ্ঠ অনুসারী হিসেবে পরিচিত এই নেতা দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছিলেন।

গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর ক্ষমতার পটপরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে কিছুদিন আত্মগোপনে ছিলেন সোহেল খান। এমনকি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের আশঙ্কায়ও তিনি আড়ালে ছিলেন বলে জানা গেছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তিনি পুনরায় প্রকাশ্যে চলাফেরা শুরু করেছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

নির্ভরযোগ্য একটি সূত্রের দাবি, পলাতক নেতা রইজ আহমেদ মান্নার সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন সোহেল খান। অভিযোগ রয়েছে, তারা সাপ্তাহিক ভিত্তিতে গোপন বৈঠক ও যোগাযোগের মাধ্যমে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে নাশকতামূলক পরিকল্পনা চালিয়ে যাচ্ছেন।
এ বিষয়ে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার নাসিম খান বলেন, “অভিযুক্ত শ্রমিক লীগ নেতাকে গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আপনারা তথ্য দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন; আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাকে আটকের জন্য বিশেষ অভিযান পরিচালনা করব।”

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে সোহেল খানের ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি কলটি কেটে দেন। ফলে তার কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

সংবাদটি শেয়ার করুন ...




© All rights reserved DailyAjkerSundarban