মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:১৮ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
আলহাজ্ব নুরুল আমিন-আব্বাস কমিটি সাংগঠনিক গতিশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপিতে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি বিভাগে তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হচ্ছে : তথ্য মন্ত্রী বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির ১০ তলা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন আইনমন্ত্রী চরকাউয়ায় কবির মুন্সীকে নিয়ে অপপ্রচার কীর্তনখোলা নদীতে রাতের আঁধারে চোরাই তেলের সিন্ডিকেট চর্ম ও যৌন চিকিৎসায় সফলতায় বরিশালে রোগীদের মন জয় করেছেন ডাঃ রেজওয়ান কায়সার বরিশালে সিকদার ফার্নিচার এন্ড মার্বেল গ্যালারির বিরুদ্ধে নিম্নমানের পণ্য বিক্রির অভিযোগ লাকুটিয়া খাল খনন সম্ভব না হওয়ায় সরকারি বরাদ্দের অর্থ ফেরত বাবুগঞ্জে জমি-সংক্রান্ত বিরোধে হামলা: নারীসহ একই পরিবারের ৪ জন গুরুতর আহত বরিশালে মোটরসাইকেল চুরির ঘটনায় ৪ জন আটক, শোরুম থেকে উদ্ধার ২ চোরাই বাইক
সংবাদ প্রকাশের পর মাদকের বিরুদ্ধে নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন

সংবাদ প্রকাশের পর মাদকের বিরুদ্ধে নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন

নিজস্ব প্রতিবেদক::বরিশাল নগরীর বগুড়া রোড ও আশপাশের এলাকায় উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সংবাদ প্রকাশের পর থেকেই বগুড়া পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা মুন্সির গ্যারেজ মোড়, শীতলা খোলা, নতুন বাজার ও আম্বিয়া হাসপাতাল সংলগ্ন বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করেছেন। এ সময় রিয়াজ হোসেন নামের একজনকে ৫১ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়েছে বলেও জানা গেছে।

তবে স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের অভিযোগ, সংবাদ প্রকাশের পর পরিচালিত এসব অভিযান অনেকটাই “লোক দেখানো”। তাদের প্রশ্ন, দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগ চললেও এতদিন তেমন কোন কার্যকর অভিযান পরিচালনা করা হয়নি।

অপর একটি স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এসব এলাকাকে ঘিরে নিয়মিত মাদক বেচাকেনা ও সেবনের অভিযোগ রয়েছে। সন্ধ্যার পর থেকেই এসব এলাকায় ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে সক্রিয় হয়ে ওঠে মাদক সিন্ডিকেট। দ্রুত লেনদেনের জন্য মোটরসাইকেল ব্যবহার করতেও দেখা যায় বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, বগুড়া পুলিশ ফাঁড়ির অদূরেই এসব কর্মকাণ্ড চললেও দৃশ্যমান কোনো কার্যকর নিয়ন্ত্রণ দেখা যায় না। অভিযোগ রয়েছে, মাঝে মধ্যে অভিযান চালিয়ে কিছু ব্যক্তিকে আটক করা হলেও পরে গভীর রাতে “দেনদরবারের মাধ্যমে” তাদের ছেড়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটে। এলাকাবাসীর মতে, বিশেষ করে সন্ধ্যার পর বগুড়া পুলিশ ফাঁড়ির কার্যক্রমের ওপর ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্তৃপক্ষ ও সরকারের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন। তাদের মতে, অনেক সময় মাদকসহ আটক ব্যক্তিদের গভীর রাতে “দেনদরবারের মাধ্যমে” ছেড়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটে বলে এলাকায় আলোচনা রয়েছে। ফলে অভিযানের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কার্যকর তদারকি জরুরি বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।

এ বিষয়ে বগুড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (এসআই) মাহফুজ জানান, “সংবাদ প্রকাশের পরে আমরা বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করেছি। এছাড়াও মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের সর্বদা অভিযান চলমান রয়েছে।

বিশেষ করে স্কুল ও কলেজগামী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন অভিভাবকরা। তাদের অভিযোগ, রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আম্বিয়া হাসপাতাল সংলগ্ন খালি মাঠ, শীতলা খোলা, মুন্সির গ্যারেজ মোড় ও নতুন বাজার এলাকায় সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের আড্ডা ও চলাচল বেড়ে যায়।
সচেতন মহলের দাবি, শুধুমাত্র সাময়িক অভিযান নয়, মাদক সিন্ডিকেটের মূল হোতাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে নিয়মিত টহল, নিরপেক্ষ অভিযান ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে পরিস্থিতির স্থায়ী উন্নতি সম্ভব নয় বলেও মনে করছেন তারা।

এছাড়া বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বলেন,মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নির্দিষ্ট তথ্য পেলেই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। মাদক বিক্রি বা সেবনের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

সংবাদটি শেয়ার করুন ...




© All rights reserved DailyAjkerSundarban