মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৫৬ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
আমানতগঞ্জে পুকুর ভরাট বন্ধের নির্দেশ পরিবেশ অধিদপ্তরের আলহাজ্ব নুরুল আমিন-আব্বাস কমিটি সাংগঠনিক গতিশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপিতে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি বিভাগে তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হচ্ছে : তথ্য মন্ত্রী বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির ১০ তলা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন আইনমন্ত্রী চরকাউয়ায় কবির মুন্সীকে নিয়ে অপপ্রচার কীর্তনখোলা নদীতে রাতের আঁধারে চোরাই তেলের সিন্ডিকেট চর্ম ও যৌন চিকিৎসায় সফলতায় বরিশালে রোগীদের মন জয় করেছেন ডাঃ রেজওয়ান কায়সার বরিশালে সিকদার ফার্নিচার এন্ড মার্বেল গ্যালারির বিরুদ্ধে নিম্নমানের পণ্য বিক্রির অভিযোগ লাকুটিয়া খাল খনন সম্ভব না হওয়ায় সরকারি বরাদ্দের অর্থ ফেরত বাবুগঞ্জে জমি-সংক্রান্ত বিরোধে হামলা: নারীসহ একই পরিবারের ৪ জন গুরুতর আহত
বরিশাল নগরীতে বিদ্যুৎ সেবায় ধীরগতি, গ্রাহকদের ক্ষোভ

বরিশাল নগরীতে বিদ্যুৎ সেবায় ধীরগতি, গ্রাহকদের ক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক:: ভূতুড়ে বিদ্যুৎ বিল, গ্রাহকদের সেবা প্রদানে ধীরগতি, ঘন ঘন লোডশেডিংসহ বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্বে অহরহ নানা অভিযোগ প্রায়সই নানা মাধ্যমে উঠে আসে। বিদ্যুৎ সেক্টরে গ্রাহক পর্যায়ে সর্বোচ্চ সেবা প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিতের নির্দেশনা কঠোরভাবে আরোপ করা থাকলেও নগর পর্যায় থেকে শুরু করে মফস্বলে এর প্রভাব ক্রমশই ক্রমাবনতি অবস্থায় স্থিতিশীলতা বজায় থাকে।

স্ব স্ব স্থানে দায়িত্বপ্রাপ্ত মুস্টিমেয় কর্মকর্তাদের দায়িত্বহীনতায় গ্রাহক সেবা নিশ্চিতের সে নির্দেশনা ম্লান হয়ে যাচ্ছে বলে মনে করছেন ভোগান্তির শিকার গ্রাহকরা। গ্রাহক পর্যায়ে নানা হয়রানীর এসব চিত্রে ব্যতিক্রম নয় বরিশাল নগরীও।

সম্প্রতি এক ব্যবসায়ী ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন(ওজোপাডিকো) সিএন্ডবি জোনের বিরুদ্ধে হয়রানীর নানা অভিযোগ তুলেছেন।

নিজ বাসভবনে বৈদ্যুতিক গোলযোগ দেখা দিলে একাধিকবার বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করেও প্রতিকার না পেয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন সেই ব্যবসায়ী। যদিও পরে ব্যবসায়ীর বাসভবনে এসে সেই ত্রুটি ঠিক করে দেয় অফিসের কর্মচারীরা। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী সিদ্দিকুর রহমান। তিনি বটতলা এলাকার বাসিন্দা।

তিনি অভিযোগে জানান, রবিবার (২৭ আগষ্ট) আমার বাসায় লাইনে বৈদ্যুতিক ক্রুটি দেখা যায়। আমি বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করলে তারা প্রথমবার আসতেছি বলে জানায়। তবে অবহিতের ৩/৪ ঘন্টা অতিবাহিত হলেও না আসলে ফের একাধিকবার ওজোপাডিকোর সিএন্ডবি ফিডারে যোগাযোগ করি।

তবুও না আসায় আমি আবার যোগাযোগ করলে অবশেষে কয়েকজন কর্মী এসে লাইন ঠিক করে দেয়।

এভাবে আমাদের মত গ্রাহকদের ভোগান্তি মুল কারণ বিদ্যুৎ অফিসের দায়িত্বহীনতা বলে মনে করছি। যোগাযোগ করলেও যথাসময়ে সাড়া না দেয়া একপ্রকার হয়রানী বলা যায়। আমি এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

এদিকে এমন অভিযোগ শুধু এই ব্যবসায়ীরই না স্থানীয় অনেক ব্যক্তি বিদ্যুৎ অফিসের দ্বারা কাঙ্খিত সেবায় প্রাপ্তিতে ব্যর্থ হয়ে হয়রানীর নানা অভিযোগ করেছেন।

এ বিষয়ে ওজোপাডিকোর সিএন্ডবি জোনের উপ-সহকারী প্রকৌশলী রায়হান মিয়া অভিযোগের বিষয়ে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।

সংবাদটি শেয়ার করুন ...




© All rights reserved DailyAjkerSundarban