মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৫৭ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
আমানতগঞ্জে পুকুর ভরাট বন্ধের নির্দেশ পরিবেশ অধিদপ্তরের আলহাজ্ব নুরুল আমিন-আব্বাস কমিটি সাংগঠনিক গতিশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপিতে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি বিভাগে তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হচ্ছে : তথ্য মন্ত্রী বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির ১০ তলা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন আইনমন্ত্রী চরকাউয়ায় কবির মুন্সীকে নিয়ে অপপ্রচার কীর্তনখোলা নদীতে রাতের আঁধারে চোরাই তেলের সিন্ডিকেট চর্ম ও যৌন চিকিৎসায় সফলতায় বরিশালে রোগীদের মন জয় করেছেন ডাঃ রেজওয়ান কায়সার বরিশালে সিকদার ফার্নিচার এন্ড মার্বেল গ্যালারির বিরুদ্ধে নিম্নমানের পণ্য বিক্রির অভিযোগ লাকুটিয়া খাল খনন সম্ভব না হওয়ায় সরকারি বরাদ্দের অর্থ ফেরত বাবুগঞ্জে জমি-সংক্রান্ত বিরোধে হামলা: নারীসহ একই পরিবারের ৪ জন গুরুতর আহত
মোগো এলাকার জন্য আল্লাহর রহমত স্বরূপ সরোয়ার মেম্বার 

মোগো এলাকার জন্য আল্লাহর রহমত স্বরূপ সরোয়ার মেম্বার 

নিজস্ব প্রতিবেদক:: বরিশাল সদর উপজেলার ১ নং রায়পাশা কড়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের ০৪ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বিশিষ্ট সমাজসেবক মোঃ সরোয়ার সিকদার নিজস্ব অর্থায়নে এলাকায় অসহায় ও দুস্থ দুই শতাধিক মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ করেন।

 

শুক্রবার সকাল ১০ টার দিকে নিজ বাড়িতে এ আয়োজন করেন তিনি। এসময় ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুর রশীদ সরদার সহ এলাকার যুব সমাজ ও গনমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। কম্বল নিতে আসা স্থানীয় এক বৃদ্ধা বলেন মোগো মেম্বার মোঃ সরোয়ার সিকদার অনেক কিছু করে আমাগো জন্য। প্রত্যেক ঈদ কোরবানিতে নিজের টাকায় চাউল কিন্না মোগো ঘরে ঘরে গিয়া দিয়া আয়।মোরা চাই আল্লাহ যেন মোঃ সরোয়ার সিকদাররে বার বার মেম্বার বানায়। আর মোগো সরোয়ার মেম্বার সারা জীবন যেন মোগো পাশে থাইক্কা সেবা করতে পারে।

 

মোগো এলাকার জন্য আল্লাহর রহমত স্বরূপ সরোয়ার  মেম্বার।কম্বল বিতরণ শেষে ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুর রশীদ সরদার বলেন ৪ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য সরোয়ার সিকদার নিজ অর্থায়নে শীতবস্ত্র দিয়ে এবং প্রতি ঈদ কোরবানিতে নিজ অর্থায়নে এক টন চাল ক্রয় করে এলাকার জনগণকে দিয়ে থাকেন আসলেই মহৎ কাজ। এমন ইউপি সদস্য যদি বারবার নির্বাচিত হয় তবে এলাকার সাধারণ জনগণের সকল দুঃখ দুর্দশা দূর হয়ে যাবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন ...




© All rights reserved DailyAjkerSundarban