বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৬ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
চরকাউয়ায় কবির মুন্সীকে নিয়ে অপপ্রচার কীর্তনখোলা নদীতে রাতের আঁধারে চোরাই তেলের সিন্ডিকেট চর্ম ও যৌন চিকিৎসায় সফলতায় বরিশালে রোগীদের মন জয় করেছেন ডাঃ রেজওয়ান কায়সার বরিশালে সিকদার ফার্নিচার এন্ড মার্বেল গ্যালারির বিরুদ্ধে নিম্নমানের পণ্য বিক্রির অভিযোগ লাকুটিয়া খাল খনন সম্ভব না হওয়ায় সরকারি বরাদ্দের অর্থ ফেরত বাবুগঞ্জে জমি-সংক্রান্ত বিরোধে হামলা: নারীসহ একই পরিবারের ৪ জন গুরুতর আহত বরিশালে মোটরসাইকেল চুরির ঘটনায় ৪ জন আটক, শোরুম থেকে উদ্ধার ২ চোরাই বাইক নলছিটিতে ক্ষমতার পালাবদলেও বদলায়নি যুবলীগ নেতা সোহাগের প্রভাব উন্নয়নের নামে ঝালকাঠি পৌরসভায় হরিলুটের অভিযোগ বিসিসির প্রধান প্রকৌশলী হুমায়ুন কবিরকে নিয়ে অপপ্রচার ও প্রপাগান্ডা
বরিশালে বিএনপি কর্মী হত্যায় মূল আসামি আড়াল করে অন্যদের ফাঁসানোর চেষ্টা

বরিশালে বিএনপি কর্মী হত্যায় মূল আসামি আড়াল করে অন্যদের ফাঁসানোর চেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক:: বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা- কড়াপুর ইউনিয়নের শিবপাশা এলাকার বাদামতলা পুল সংলগ্ন স্থানে গত বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বরিশাল বিএনপির কর্মী দেলোয়ার হোসেনকে হত্যা করা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, হত্যাকাণ্ডটি পরিকল্পিত ও পেছনের উদ্দেশ্য স্পষ্ট। ঘটনার পর পুলিশ লাশ উদ্ধার করেছে পাশের একটি ডোবা থেকে।
তবে মামলার এজাহারে অন্তর্ভুক্ত কয়েকজন আসামিকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র প্রশ্ন, সন্দেহ এবং গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়েছে।

বিশেষ করে চার নম্বর আসামি কবির চৌধুরী ও পাঁচ নম্বর আসামি জাকির চৌধুরীর নাম স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার বিষয় হয়েছে। দুই ভাই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকারের পরিবর্তনের পর রাজনৈতিক কারণে আত্মগোপনে চলে যান। প্রায় ১৮ মাস ধরে তারা এলাকায় অনুপস্থিত থাকায়, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তাদের যুক্ত থাকার দাবি নিয়ে ব্যাপক বিস্ময় সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে কবির ও জাকির চৌধুরীর পরিবারের দাবি, রাজনৈতিক কারণে দীর্ঘদিন ধরে তারা পলাতক ছিলেন এবং ঘটনার সময় এলাকায় উপস্থিত ছিলেন না। পরিবার সূত্র জানিয়েছে, “ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো যোগ নেই। তবে রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

এলাকাবাসী আরও অভিযোগ করেছেন, শুধুমাত্র এই দুই ভাই নয়, আরও কিছু ব্যক্তিকে ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত ব্যক্তিদের মধ্যে অনেকের সঙ্গে নিহতের পরিবারের দীর্ঘদিনের জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও পারিবারিক দ্বন্দ্ব রয়েছে। স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, এই পুরনো দ্বন্দ্বকে মামলার প্রেক্ষাপট হিসেবে ব্যবহার করে প্রকৃত হত্যাকারীদের আড়াল করা হচ্ছে।
একাধিক সচেতন নাগরিক জানান, “যারা বাস্তবিকভাবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত, শুধু তাদেরই আসামি করা হোক। যারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না বা ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন, তাদের যেন অহেতুক হয়রানি করা না হয়। প্রশাসন যেন প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনে।

পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, এজাহারে উল্লিখিত অভিযোগসহ সব বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দোষী বা নির্দোষ বলা সম্ভব নয়।নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এখনও সবকিছু খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তবে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ ক্রমেই বাড়ছে। সাধারণ মানুষ মনে করছেন, এ ধরনের চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডে দ্রুত ও স্বচ্ছ তদন্ত নিশ্চিত না হলে, সমাজে আইন শৃঙ্খলার প্রতি আস্থা

সংবাদটি শেয়ার করুন ...




© All rights reserved DailyAjkerSundarban