সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৫ পূর্বাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক::বরিশালের গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া এলাকায় আলোচিত নাম হাফিজুর রহমান মান্নাকে ঘিরে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে গত ২৪ মার্চ ২০২৬ তারিখে ঢাকার জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতালে (পঙ্গু হাসপাতাল) গৌরনদীর দুলাল শরিফের ছেলে দেখতে গেলে স্থানীয় মহলে নতুন করে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ নেতা ও নারায়ণগঞ্জের সাবেক এমপি শামীম ওসমানের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) থাকাকালীন মান্না ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। অভিযোগ রয়েছে, সেই সময় সাধারণ মানুষের ওপর নানা জুলুম-অত্যাচার চালিয়েছেন তিনি। এমনকি বর্তমানে তার নামে একাধিক মামলা থাকা সত্ত্বেও প্রশাসনের চোখের সামনেই তিনি প্রকাশ্য বিচরণ করছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন সচেতন নাগরিকরা।
স্থানীয়ভাবে আরো জানা বরিশালের গৌরনদীর সাবেক এমপি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ ও পৌরসভার সাবেক হারিসের ঘনিষ্ঠজন থেকে অনেক অপকর্ম করেছেন এই মান্না। সুষ্ঠুভাবে তদন্তের মাধ্যমে গ্রেফতারের দাবিতে উত্তাল স্থানীয় জনপদ।
ইদানীংকালে বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে যে, মান্না পরোক্ষভাবে রাজপথে অগ্নিসংযোগ ও জ্বালাও-পোড়াওয়ের মতো নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ফলে গৌরনদীসহ আশপাশের অঞ্চলে জনমনে এক ধরনের আতঙ্ক ও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। যদিও এসব অভিযোগের বিপরীতে এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন বা দাপ্তরিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এমতাবস্থায়, বরিশালের সর্বস্তরের মানুষ প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন যেন এই অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হয়। যদি অপরাধের সত্যতা পাওয়া যায়, তবে দ্রুত তাকে আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানানো হয়েছে। মূলত আইনের শাসন ও সুশাসন নিশ্চিত করতে এ ধরনের স্বচ্ছ তদন্ত অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।