বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সক্রিয় দায়িত্বে প্রশংসিত স্টিমারঘাট ফাঁড়ির ইনচার্জ নাসিম ক্ষমতার হাত বদল হয়েছে, বাকেরগঞ্জবাসীর ভাগ্য বদলায়নি : মাহমুদুন্নবী ঝালকাঠি-২ আসনে বিএনপির শক্ত ঘাঁটিতে দাঁড়িপাল্লা এগিয়ে বরিশালে ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে অভিযানে অবৈধ জাটকা জব্দ বরিশালে বগুড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ রেজার নেতৃত্বে দৃশ্যমান পরিবর্তন বরিশালে জেলেদের মাঝে দেশীয় জাতের বাছুর বিতরণ স্টিমারঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই নাসিমের নেতৃত্বে দৃশ্যমান পরিবর্তন সাংবাদিকদের কার্ড অনলাইনে নয়, ম্যানুয়ালি ইস্যু করবে ইসি বরিশালে যাত্রীবাহী বাসে যৌথ অভিযানে ৩,০০০ কেজি জাটকা ইলিশ জব্দ অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তায় আস্থা অর্জন করেছেন এসআই রেজা
বাকেরগঞ্জে অসহায়-হতদরিদ্র পরিবার উপহার পেল ’স্বপ্নকুঞ্জ’

বাকেরগঞ্জে অসহায়-হতদরিদ্র পরিবার উপহার পেল ’স্বপ্নকুঞ্জ’

Oplus_131072

নিজস্ব প্রতিবেদক:: বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরাদী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের হত দরিদ্র রমেশ চন্দ্র’

পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি তিনিই। চরাদি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মুহাম্মদ জুলহাসের মাধ্যমে অস্বচ্ছ পরিবারটির কথা জানতে পারেন বাকেরগঞ্জের ইউএনও। সোমবার (০১ ডিসেম্বর) রমেশ চন্দ্রের বাড়িতে আসেন ইউএনও রুমানা আফরোজ।

এ সময় অসহায় পরিবারটিকে ইউএনও উপহার হিসেবে একটি গৃহ উপহার দেন ও নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী এবং কম্বল প্রদান করেন। রমেশ চন্দ্র দম্পতির হাতে ”স্বপ্নকুঞ্জ’’ গৃহের চাবি হস্তান্তর করেন। নতুন ঘর পেয়ে অসহায় এই পরিবারের সদস্যদের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে।

আবেগ উৎফুল্ল হয়ে রমেশ চন্দ্র বলেন, ইউএনও মহোদয়ের কাছে আমরা চির কৃতজ্ঞ। এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ বলেন, ‘মানবিক বিবেচনায় আমরা দ্রুত এই পরিবারের জন্য একটি গৃহ উপহার দিয়েছি। বাকেরগঞ্জের যেকোনো এলাকায় এমন অসহায় মানুষ থাকলে আমাকে জানাবেন, আমি যথাসাধ্য সহযোগিতার চেষ্টা করবো। উপজেলা প্রশাসন সর্বদা অসহায় মানুষের পাশে আছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, বাকেরগঞ্জ উপজেলা (পিআইও) কামরুজ্জামান, চরাদি ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নাসির হাওলাদার, প্যানেল চেয়ারম্যান মুহাম্মদ জুলহাস, পরিষদের সকল ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

সংবাদটি শেয়ার করুন ...




© All rights reserved DailyAjkerSundarban