শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৪২ পূর্বাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক:: বরিশাল নগরীর ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কেডিসি এলাকায় কীর্তনখোলা নদীর তীরে অবস্থিত তেল ডিপো ও নদীতে নোঙর করা জাহাজকে কেন্দ্র করে চোরাই জ্বালানি তেল সংগ্রহ ও অবৈধ বেচাকেনার অভিযোগ উঠেছে।
সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে গভীর রাতে নদীতে নোঙর করা বিভিন্ন কার্গো, অয়েল ট্যাংকার ও ট্রলার থেকে অবৈধভাবে জ্বালানি তেল সংগ্রহ করে ছোট নৌযানের মাধ্যমে নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন ঘাটে আনা হয়। পরে ড্রাম ও ট্যাংকে সংরক্ষণ করে বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
সূত্রের ভাষ্য, এই অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনায় একটি সংঘবদ্ধ চক্র কাজ করছে। তাদের অভিযোগ, প্রভাবশালী বিভিন্ন মহলের কিছু ব্যক্তি, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী,ক্ষমাতাসীন দলের ছাত্রসংগঠনের কতিপয় ব্যক্তিবর্গ এবং অন্যান্য স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যোগসাজশে সিন্ডিকেটটি দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় রয়েছে। অভিযোগকারীরা আরও দাবি করেন, অবৈধ কার্যক্রম নির্বিঘ্নে চালিয়ে যেতে বিভিন্ন পক্ষকে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে নিয়মিত অর্থ লেনদেনও হয়ে থাকে।
তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, রাত গভীর হলে ছোট ট্রলার ও নৌযানের মাধ্যমে তেল স্থানান্তর করা হয় এবং দ্রুত বিভিন্ন স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। তাদের মতে, এর ফলে সরকার রাজস্ব হারানোর পাশাপাশি বৈধ জ্বালানি ব্যবসায়ীরাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
এলাকাবাসী কীর্তনখোলা নদী, নদীতীরবর্তী ঘাট ও সংশ্লিষ্ট ডিপো এলাকায় নিয়মিত নজরদারি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বরিশাল সদর নৌ পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অসীম কুমার বলেন, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নদীপথে অবৈধ কর্মকাণ্ড রোধে নৌ পুলিশের করা হবে।