শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৩৩ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক ::: বরিশাল নগরীতে সরকারি (ভিপি) সম্পত্তি অনিল বরনের নামে খতিয়ান তৈরির অভিযোগ উঠেছে। নগরীর আমানতগঞ্জ মৌজার জেএল নং- ৪৮, এসএ ৩৩ নং খতিয়ানের ৬০৩ নং দাগের এই জমির অবস্থান। যার ভিপি গেজেট ক্রমিক নং- ৭৭৪। শূন্য দশমিক ৩৯ একর জমিটি সরকারি নথিতে ভিপি হিসেবে অন্তর্ভূক্ত থাকলেও আলাদা একটি খতিয়ান তৈরি করে ব্যক্তির নামে মালিকানা দেওয়া হয়েছে। এমনকি ২০২৮-২০২৯ অর্থবছর পর্যন্ত খাজনাও পরিশোধ করা হয়েছে।
ভিপি সম্পত্তি সরকারের অনুমতি ছাড়া বিক্রি করা বা মালিকানা নেওয়া সম্ভব নয়। সে কারণে সরকারি নিবন্ধন খাতায় (বালাম বই) আলাদা খতিয়ান তৈরি করে অর্পিত সম্পত্তি (ভিপি) মালিকানায় দেখানো হয়েছে।
ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা বলছেন- সরকারি এই সম্পত্তি ১৯৮৬ সালের একটি আবেদনের ভিত্তিতে ভিপি অবমুক্ত করা হয়েছে। পূর্বে যারা ওই অফিসে কর্মরত ছিল তারা এ কাজের সাথে জড়িত।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এ বছরের শুরুতে ওই জমির খাজনা দিতে আবেদন করেন অনিমেষ নামের একজন। এরপরই জালিয়াতির বিষয়টি সামনে আসে। তিনি দীর্ঘদিন ধরেই জমিটি ভোগদখল করছেন। কাগজপত্র যাচাই করে কর্মকর্তারা তার নামে যে খতিয়ান পেয়েছেন, তাতে ওই খতিয়ানের বদলে আলাদা একটি খতিয়ান উল্লেখ রয়েছে।
ভূমি অফিস জানায়, যে দাগ ও খতিয়ান ধরে আবেদন করা হয়েছে, সেটি ভিপি সম্পত্তি।
এ বিষয়ে বরিশাল সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আজহারুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। যদি ওই সম্পত্তি ভিপি অবমুক্ত না হয় তাহলে মালিকানা দেওয়ার সুযোগ নেই। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রযোজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আমানতগঞ্জ মৌজায় এসএ ৩৩ নম্বর খতিয়ানে থাকা প্রায় শূন্য দশমিক ৩৯ একর জমিটি ২০১২ সালের ৩০ এপ্রিল গেজেটেড ভিপি সম্পত্তির তালিকায় লিপিবদ্ধ করা হয়।
এ বিষয়ে আমানতগঞ্জ ভূমি অফিসের তহসিলদার মাসুদ খান জানান , ‘এটি আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের এখতিয়ার। সরকারি এই সম্পত্তি ভিপি অবমুক্ত করা হয়েছে। তাও আমি যোগদান করার আগে।এবং দাখিলা কাটা হয়েছে তাও আমার যোগদান করার আগে, এবিষয়ে আমি কিছু জানিনা।